ঈদুল আজহা সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলার খলিশাখালী গ্রামে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে ব্যতিক্রমী আকৃতির একটি গরু। লাল রঙের প্রায় ৫ ফুট উঁচু, ৮ ফুট দৈর্ঘ্য এবং প্রায় ১০ মণ ওজনের বিশাল আকৃতির গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’। তেজি ও বলিষ্ঠ গঠনের কারণে গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সম্ভাব্য ক্রেতারা।
গরুটির মালিক খামারি মিলন ইসলাম জানান, প্রায় দুই বছর আগে শখ করে স্থানীয় হাট থেকে গরুটি কিনে আনেন তিনি। এরপর নিজ খামারে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পরিচর্যা ও লালন-পালনের মাধ্যমে বড় করে তোলা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’কে। তিনি বলেন, ‘লাল বাহাদুরকে সন্তানের মতো করে লালন-পালন করেছি। খাবার, পরিচর্যা কিংবা স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো অবহেলা করিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে সুস্থভাবে বড় করতে।’
জানা গেছে, শাহীওয়াল জাতের গরুটির খাদ্যতালিকায় রয়েছে খড়, ভুসি, ভুট্টা ও কাঁচা ঘাস। প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করানোর পাশাপাশি খামারে ফ্যান ও লাইটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে শক্তিশালী ও তেজি স্বভাবের হওয়ায় গরুটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক সময় চার থেকে পাঁচজন প্রয়োজন হয়।
খামারি মিলন ইসলামের দাবি, এটি এ এলাকার সবচেয়ে বড় গরু। কোরবানির বাজারে গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা।
গরুটি দেখতে আসা স্থানীয় দর্শনার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এত বড় আর সুন্দর গরু এই এলাকায় আর নেই। লাল রং আর বিশাল গঠন সবাইকে আকৃষ্ট করছে।’ জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ৩৮ হাজার হলেও প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার পশু।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন