× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২, ২০২৬, ০৫:১৬ এএম

মিয়ানমারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত পুরো গ্রাম, শান রাজ্যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২, ২০২৬, ০৫:১৬ এএম

মিয়ানমারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত পুরো গ্রাম, শান রাজ্যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শান রাজ্যে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৫৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। চীন সীমান্তসংলগ্ন নামখাম এলাকার কাউং তাত গ্রামে রোববার দুপুরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এবং মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গ্রামজুড়ে। বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে ধ্বংসাবশেষ। এলাকাটি বর্তমানে জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী তাআং জাতীয় মুক্তি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, খনি ও পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণটি ছিল আকস্মিক এবং এতে বহু গ্রামবাসী প্রাণ হারিয়েছেন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রথমে এটিকে বিমান হামলা বলে মনে করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন প্রত্যক্ষদর্শী লিখেছেন, বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে এবং মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়েন। তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে এবং শত শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন আহত বাসিন্দা বলেন, তিনি ঘরে বসে খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে চারপাশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। পরে বাইরে বেরিয়ে তিনি দেখেন মানুষ স্বজনদের খুঁজে কান্নাকাটি করছেন। তার ভাষায়, ‘মনে হচ্ছিল পৃথিবীর শেষ দিন নেমে এসেছে।’ উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, বহু মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধসে পড়েছে বহু ভবন। গাছপালাও পুড়ে গেছে আগুনে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, খনির কাজে ব্যবহারের জন্য একটি ভবনে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত রাখা হয়েছিল। দীর্ঘদিন সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করায় সেগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং বিস্ফোরণের সূত্রপাত ঘটে। তাআং জাতীয় মুক্তি বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কীভাবে আবাসিক এলাকার এত কাছে বিস্ফোরক গুদাম পরিচালনা করা হচ্ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের কারণে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন খনিজ সম্পদ ও খনি কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। তবে নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এসব এলাকায় দুর্ঘটনা প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি নিরাপত্তাহীন খনি কার্যক্রমও এখন মিয়ানমারের সাধারণ মানুষের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!