কিছুদিন ধরেই চায়ের টেবিল থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত আলোচিত-সমালোচিত হচ্ছে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে বিতরণ সংস্থাগুলো। এ লক্ষ্যে গণশুনানিও করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে নানা মহল থেকে দাম বাড়ানোর তীব্র বিরোধিতা করা হয়। বিশেষ করে শিল্পমালিকেরা পথে বসে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন শুনানিতে। কিন্তু বিশ^বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিতে দাম বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে দাবি বিতরণ সংস্থাগুলোর। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিইআরসি আজ বুধবার বিদ্যুতের দাম বাড়ার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে। পাইকারি পর্যায়ে ২০ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ১৫ থেকে ২২ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে জানা গেছে। গ্রাহকদের চলতি মাসের ১ তারিখ থেকেই বাড়তি দাম পরিশোধ করতে হবে বলেও জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানায়, আজ বুধবার বেলা ৩টায় বিদ্যুতের দাম ঘোষণার জন্য কমিশন একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দফায় বেড়েছে জ¦ালানি তেলের দাম। রান্নার গ্যাস এলপিজির দামও বেড়েছে দুই দফা। এরপর বিদ্যুতের পাইকারি এবং খুচরা দাম বাড়াতে যাচ্ছে কমিশন। গত ২০ ও ২১ মে রাজধানীতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ওপর গণশুনানির পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসতে যাচ্ছে বলে বিইআরসির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু এতে করে বাজারে মূল্যস্ফীতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নিতপণ্যের বাজারে তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও দাবি তাদের। এতে করে সাধারণ ভোক্তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলেও মত তাদের।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে দুই ধাপে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তখন পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এবারও লাইফলাইন গ্রাহক, অর্থাৎ শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে দাম না বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। তবে নি¤œমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকদের ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়ার অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এজন্য একটি স্ল্যাব তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে পিডিবি।
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, দাম বাড়ানোর আগে গত সোমবার বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা। ওই বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে কী পরিমাণ ভর্তুকি দেওয়া হবে, তা কমিশনকে জানানো হয়। চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার আগামী অর্থবছরে ভর্তুকি কমাতে দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়, ভর্তুকি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইএমএফের বেঁধে দেওয়া মাত্রার মধ্যে থাকতে চায় সরকার।
গত ২০ ও ২১ মের গণশুনানিতে পাইকারি দাম বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর বিষয়ে বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নেয়। এ বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে বাজারে তো প্রভাব পড়বেই। কিন্তু ভর্তুকি কমে আসবে। পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী চলতি বছর তাদের ভর্তুকি ৫৬ হাজার কোটি টাকা। দাম বাড়লে এই ভর্তুকি কমে আসবে, যা সরকার অন্য খাতে ব্যবহার করতে পারবে। দাম কত শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিতরণ সংস্থাগুলোর প্রস্তাব এবং গণশুনানিতে সবার মতামত গ্রহণের পর সবার জন্য সহনীয় হয় এমন পর্যায়েই দাম বাড়বে। এটি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্তই হতে পারে। এর বেশি না।
এর আগে গত সোমবার থেকে সরকার পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়িয়েছে। তবে গতকাল মঙ্গলবার রান্না ও গাড়ির জ¦ালানি এলপিজির দাম কমানো হয়েছে। এখন আবার বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার খেসারত সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে দাবি করে গণশুনানিতে বক্তারা বলেন, এই মুহূর্তে বিদ্যুতের দাম বাড়লে প্রায় ৫ কোটি গ্রাহকের ওপর প্রভাব পড়বে। ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে বিদ্যুৎ বিতরণকারী ছয়টি সংস্থার মোট গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি। এর মধ্যে সিংহভাগই সাধারণ গৃহস্থালি গ্রাহক, যার সংখ্যা ৪ কোটিরও বেশি।
বর্তমানে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা উত্তর বিদ্যুৎ সরবরাহ কোম্পানি (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)Ñ এই ছয় প্রতিষ্ঠান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরবরাহব্যবস্থার তথ্যে দেখা যায়, বিতরণ লাইনে গড় সিস্টেম লস ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ হলেও কিছু কিছু সংস্থায় এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি, যা গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো) গণশুনানিতে জানায়, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যমান বিদ্যুৎ ট্যারিফ বজায় থাকলে তাদের প্রতি ইউনিটে সম্ভাব্য ঘাটতি দাঁড়াবে ২৯ পয়সা। এই বিশাল আর্থিক ঘাটতি সমন্বয় করার অজুহাতে তারা খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে। একই সঙ্গে সংস্থাটি একটি নতুন নিয়ম চালুর প্রস্তাব দিয়েছে। বর্তমানে ৮০ কিলোওয়াট পর্যন্ত নি¤œচাপ (এলটি) গ্রাহকসীমা রয়েছে, যা কমিয়ে ৫০ কিলোওয়াট করার সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ৫০ কিলোওয়াটের বেশি লোড ব্যবহারকারী গ্রাহকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে মধ্যচাপ (এমটি) গ্রাহক শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাবিউবোর দাবি, বর্তমানে ৫০ কিলোওয়াটের বেশি লোডের গ্রাহকসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে একই ট্রান্সফরমার থেকে সীমিতসংখ্যক গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ ছাড়া, মুনাফার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণ ট্যারিফ থেকে সরিয়ে বাণিজ্যিক ট্যারিফের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
একইভাবে দেশের গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গড়ে ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৮ টাকা ৫০ পয়সা হলেও লোকসান এড়িয়ে সংস্থাটিকে সচল রাখতে এই দাম কমপক্ষে ৯ টাকা করা জরুরি। পাশাপাশি, তারা দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ‘লাইফলাইন’ সুবিধা আরও সংকুচিত করার প্রস্তাব দিয়েছে। নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব গ্রাহকের অনুমোদিত লোড ১ কিলোওয়াট বা তার কম এবং মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার সর্বোচ্চ ৫০ ইউনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, কেবল তারাই লাইফলাইন সুবিধা পাবেন। এর বাইরে ব্যাটারিচালিত চার্জিং স্টেশনগুলোর জন্য আলাদা গ্রাহকশ্রেণি তৈরি করা, ইটভাটা ও চিলিং সেন্টারগুলোকে বাণিজ্যিক থেকে শিল্পশ্রেণিতে রূপান্তর করা এবং বহুতল ভবনে একাধিক শিল্প সংযোগ দেওয়ার ব্যাপারেও তারা সুপারিশ করেছে।
রাজধানীর একাংশে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ডিপিডিসি গড়ে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে। তাদের দাবি, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বর্তমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে তাদের বিপুল রাজস্ব ঘাটতি থেকে যাবে। ঘাটতি পূরণে ডিপিডিসি কিছু নতুন নিয়ম চালুর প্রস্তাব করেছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন করে সিকিউরিটি চার্জ আদায় করা এবং যেসব গ্রাহকের পাওয়ার ফ্যাক্টর কম, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। এছাড়া, যে কোনো ধরনের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ট্যারিফ বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ করার এবং বস্তি এলাকায় কক্ষভিত্তিক ফ্ল্যাট ট্যারিফ চালুর সুপারিশ করেছে তারা। ঢাকার উত্তরাঞ্চল ও মিরপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা ডেসকো জানিয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বিগত তিন বছরে তাদের মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬১১ কোটি টাকা। এই বিশাল আর্থিক ক্ষতি ও ঘাটতি মোকাবিলা করতে সংস্থাটি গড়ে ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পেশ করেছে। ডেসকো তাদের আবেদনে আরও উল্লেখ করেছে, প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য বর্তমানে যে রিবেট বা ছাড়ের সুবিধা চালু আছে, তা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা প্রয়োজন এবং একই সঙ্গে ডিমান্ড চার্জের পরিমাণও বাড়ানো দরকার।
এ ছাড়া দেশের পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা ওজোপাডিকো জানিয়েছে, বিগত দিনগুলোতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম যেভাবে বেড়েছে, সেই তুলনায় খুচরা পর্যায়ের ট্যারিফ সমন্বয় করা হয়নি। এর ফলে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিতরণে তাদের ৮৫ পয়সারও বেশি ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সংস্থাটি আবাসিক লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য ৮ শতাংশ এবং অন্যান্য সাধারণ আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ১২ দশমিক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। একই সঙ্গে ইজিবাইক চার্জিং স্টেশনগুলোকে বাণিজ্যিক ট্যারিফের আওতায় এনে রাজস্ব বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে তারা। আর উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ বিতরণকারী কোম্পানি নেসকো জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ক্রয় এবং তা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার বিতরণ ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের নিজস্ব বিতরণ ব্যয় প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৬৬ পয়সায় গিয়ে পৌঁছাবে। এই ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং নতুন পাইকারি দামের ওপর ভিত্তি করে খুচরা ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ বা বাড়ানোর জন্য বিইআরসির কাছে আবেদন জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে বিতরণ সংস্থাগুলোর এসব ঢালাও প্রস্তাবের বিপরীতে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি (টিইসি) বেশ কিছু বিষয়ে কড়া আপত্তি ও সতর্কতা ব্যক্ত করেছে। কমিটি স্পষ্ট জানিয়েছে, নি¤œচাপ বা এলটি গ্রাহকের লোডসীমা ৮০ কিলোওয়াট থেকে কমিয়ে হুট করে ৫০ কিলোওয়াটে নামানো ঠিক হবে না। এটি করার আগে একটি স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ‘রেগুলেটরি ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট’ বা এর প্রভাব মূল্যায়ন করা জরুরি।
তবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এই হিড়িকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও আপত্তি জানিয়েছেন দেশের শিল্প খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তারা। তারা বলেছেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট এবং ডলারের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমানে শিল্প খাত স্রেফ টিকে থাকার লড়াই করছে। এই মুহূর্তে যদি নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়, তাহলে পণ্যের উৎপাদন ব্যয় আকাশচুম্বী হবে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি প্রতিযোগিতা মারাত্মকভাবে কমে যাবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন