রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জুনের শুরুতেই তীব্র গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৪০টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ। তীব্র রোদের সঙ্গে তপ্ত বাতাসে জনজীবন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে হিটস্ট্রোকসহ গরমজনিত নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে স্বস্তির খবর দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাত বাড়লে কমতে পারে গরমের তীব্রতা।
গতকাল বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘহীন এবং রোদের তীব্রতা ছিল প্রখর। এদিন দুপুর গড়াতেই ব্যস্ত সড়ক কিংবা ফুটপাত সবখানেই গরমের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে গরমের অনুভূতি প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো লেগেছে।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি ‘এল নিনো’র প্রভাবও এ অঞ্চলের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে। তবে আজ থেকে আকাশে মেঘের পরিমাণ বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘গতকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি। আশার কথা হলো, আজ থেকে সারা বাংলাদেশে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা একটু একটু করে বাড়তে পারে। তখন উপকূলীয় জেলাগুলোয় তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশজুড়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত শুরু হলে গরমের এই তীব্র ভাব কেটে যাবে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে’।

