বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদের বিপরীতে উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
গত বুধবার বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুন সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির বহির্ভূতভাবে একজন সদস্যের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়েছিল। একই সভায় পুনরায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা ছিল বিধিবহির্ভূত। তাই নিয়োগ অনুমোদন করা যায় না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ৯২তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দেওয়া আজীবন নিয়োগটি বাতিল করা হলো। একই সঙ্গে ওই সভার তারিখ থেকে অধ্যাপক ইমেরিটাস পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত বেতন-ভাতাদিও ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যোগ করা হয় অফিস আদেশে।
রূপালী বাংলাদেশকে অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, কয়দিন থেকেই একটা গোষ্ঠী আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল বলে আমি জানতে পেরেছিলাম। আর তার চূড়ান্ত রূপ হিসেবে আজ একটি চিঠি পেয়েছি। এটা একটা সম্মানিত পদ। পাঁচটা পর্যায় পার করে তারপর এটা অনুমোদন দেওয়া হয়। অথচ আজ আমার পদ নাকি বাতিল করা হয়েছে, এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কর্মজীবনে কারো কোনো ক্ষতি করিনি। ১৫টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারের পাশাপাশি মেডিসিনবিদ্যা নিয়ে লেখা আমার ১০টি বই আছে। সারাটা জীবন মানুষের সেবায় ব্যয় করেছি। শেষ বয়সে এসে এই চিঠি আমার জন্য খুবই কষ্টের।

