পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে অটোরিকশা থেকে নেমেই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে যুবক। একপর্যায়ে পালানোর চেষ্টাকারী যুবককে আটক করলেও বিপত্তি তৈরি হয় যুবকের ফেলে দেওয়া বোমাসদৃশ একটি কালো বস্তু নিয়ে। প্রথমে বোমা মনে করা হলেও পরে সেটি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৬ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট। বোমাসদৃশ বস্তু তৈরি করে তার মধ্যে ইয়াবা পাচার চেষ্টার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় এপিবিএনের একটি টিম তল্লাশি চৌকি বসিয়ে সন্দেহভাজন যাববাহনে তল্লাশি চালাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ৭টায় এপিবিএন ১-এর ওই তল্লাশি চৌকি খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে একটি সন্দেহভাজন সিএনজিচালিত অটোরিকশা দেখে থামানোর সঙ্কেত দেয়। সিএনজিচালিত অটোরিকশা থাকায় যাত্রী একপর্যায়ে একটি কালো এস্কচটেপে পেঁচানো বোমসদৃশ বস্তু ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। মুহূর্তে তল্লাশি চৌকিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দায়িত্বে থাকা এপিবিএন-১-এর সদস্যদের প্রথমে ধারণা তৈরি হয় বোমসদৃশ বস্তুটি রিমোর্ট কন্ট্রোল অথবা সময় নিয়ন্ত্রিত কোনো শক্তিশালী বোমা হবে।
এপিবিএন সদস্যরা জানিয়েছে, বোমসদৃশ বস্তু ফেলে যুবক দৌড় দিলে তাকে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় আটক করা হয়। পরে তাকে বোমসদৃশ বস্তুটি আসল বোমা কিনা জানতে চাইলে সে জানায়, তার মধ্যে ইয়াবা রয়েছে। পরে সতর্কতার সঙ্গে সেটি খোলা হলে ভেতরে ভিন্ন রঙের এস্কচটেপে মোড়ানো কয়েকটি প্যাকেট পাওয়া যায়। পরে সেগুলো খোলা হলে ভেতরে ৫ হাজার ৮শ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। এপিবিএন এএসআই জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ছয়জন এপিবিএনের ফোর্স ও ডিএমপির ফোর্স যৌথভাবে সেগুলো জব্দ করে। পরে আটক যুবককে হেফাজতে নেওয়া হয়।

