× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৬:০১ এএম

আক্রান্ত ছাড়াল ১ লাখ ১০ হাজারের ঘর

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৬:০১ এএম

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৭টি শিশু। গতকাল রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। মাত্র আড়াই মাসের ব্যবধানে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬১৯ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭১২টি শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪১। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৫টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭১০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮২ হাজার ৮৪৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

চিকিৎসকেরা বলছেন, সারা দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার হামে আক্রান্ত শিশু ভর্তি থাকতে দেখা যাচ্ছে। তবে তারা এটাও বলছেন যে, বিশেষ উদ্যোগ নিলেই হাসপাতালে রোগীর চাপ কমানো সম্ভব। তারা বলছেন, সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে না আসায় হাসপাতালে রোগী আসছে, ভর্তিও হচ্ছে। অনেক হাসপাতালে হামের মতো সংক্রামক রোগের জন্য নির্ধারিত শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য অনেক হাসপাতালের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে। তারা বলছেন, হামের বিষয়ে কোন হাসপাতালে কত রোগী আছে, কত শয্যা খালি, আইসিইউ খালি আছে কি নাÑ এসব তথ্য সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রকাশ করে না। অথচ কোভিড ১৯ মহামারির সময় এসব তথ্য দেওয়া হতো, যা রোগী ব্যবস্থাপনার জন্য দরকার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) পরিচালক আবু আহমেদ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, সারা দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের হামের রোগীর তথ্য আমরা নিয়মিত প্রকাশ করছি। প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জন ও সিটি করপোরেশনগুলোর স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছ থেকে আমরা রোগীর তথ্য পাই। তবে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য পৃথকভাবে নেই।

সরকার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের টিকা দেওয়া শুরু করে ৫ এপ্রিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব উপজেলায় হামের সংক্রমণ কমে এসেছে। অনেকে মনে করেন, দেশব্যাপী হামের টিকার ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার এক-দেড় মাসের মধ্যে সারা দেশে সংক্রমণ কমে আসবে। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য ডা. লেনিন চৌধুরী বলেন, হাম বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সচেতনতা তৈরি করা দরকার, সেটি হচ্ছে না। সরকার মূলত টিকা দেওয়া ছাড়া হামের রোগী কমাতে আর কোনো বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটি নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে, স্পষ্ট করে করণীয় সম্পর্কে বলতে হবে। কোনো রোগী আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইসোলেশনে নিতে হবে। নইলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা মুশকিল।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!