× UCB Sticker Card
বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৩:৫০ এএম

ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ইসতি মেডিকেলের এমডি কারাগারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৩:৫০ এএম

ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের  অভিযোগ ইসতি মেডিকেলের  এমডি কারাগারে

ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর ইসতি মেডিকেল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সালকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন। আসামিকে কারাগারে পাঠানোর কথা জানান প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার। এদিকে আদেশের পর আদালত কক্ষের সামনে তুমুল হট্টগোলে জড়ান দুই পক্ষের আইনজীবী।

এর আগে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ফয়সাল। আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান, সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা খানসহ একাধিক আইনজীবী শুনানি করেন। তারা আদালতে বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনার প্রায় এক মাস পর অভিযোগ আনা হয়েছে। তাই যেকোনো শর্তে তার জামিন প্রার্থনা করেন তারা। অন্যদিকে বাদীপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদ্য সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ মিয়া আলম, সাবেক সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হাসান মুকুলসহ একাধিক আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর বাবা গুলশান থানায় মামলাটি করেন। এরপর ৬ মে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান ফয়সাল। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় গতকাল আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি।

শুনানি শেষে আদালত থেকে বের হয়ে দুইপক্ষ তুমুল হট্টগোলে জড়ান। পুলিশের এক এসআই বলেন, আসামির সঙ্গে তার কয়েকজন দেহরক্ষীও আদালতে আসে। তাদের বিশ্বাস ছিল, তিনি জামিন পেয়ে যাবেন। জামিন নামঞ্জুরের পর বাদীপক্ষের এক আইনজীবীর গায়ে হাত তোলেন আসামির সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি। পরে দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল হলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ও আসামিকে কারাগারে নিয়ে যায়। এদিকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকরা আসামির ছবি তুলতে যান। সেখানেও বাধা হয়ে দাঁড়ান ফয়সালের সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি। সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়ান তিনি।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!