× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৬:২৩ এএম

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল

দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৬:২৩ এএম

দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট

মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দেশজুড়ে গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি (এফএসআরইউ) চালু না হওয়ায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। ঠিক কবে নাগাদ টার্মিনালটি চালু হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট কেউ। যদিও পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এফএসআরইউ মেরামত করতে বাংলাদেশে আসছেন মার্কিন প্রকৌশলীদের একটি দল। এরই মধ্যে দলের দুই সদস্য দেশে পৌঁছেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে দলের অন্য সদস্যদের। প্রাথমিকভাবে পুরোপুরি চালু করা সম্ভব না হলেও আংশিক গ্যাস সরবরাহ করা যায় কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে রূপান্তরিত গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।

আরপিজিসিএলের এক পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন, মূলত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে কিছু ক্ষতি হয়েছে। পুরোপুরি নিরাপদ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এটি চালু করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, শুক্রবার আংশিক গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় কি না, তা যাচাই করছেন প্রকৌশলীরা। তবে আশা করা হচ্ছে, ২৫ জুলাই নাগাদ টার্মিনালটি অপারেশনে আসতে পারে।

এলএনজি বোঝাই জাহাজ দূরে থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। গত বুধবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাহাজটি কাছাকাছি থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।

আরপিজিসিএল সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রকৌশলীরা পরীক্ষা করেও ত্রুটির কারণ শনাক্ত বা সমাধান করতে পারেননি। এ কারণে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি বিদেশি বিশেষজ্ঞ আনছে। বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে ত্রুটির ধরন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং মেরামতের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

বর্তমানে প্রতিশ্রুত গ্রাহকদের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে চাহিদা বিবেচনায় সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে কম-বেশি ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় এক হাজার ৬৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর পাশাপাশি সামিট গ্রুপ পরিচালিত এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ৫৬০ মিলিয়ন ঘনফুট। ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউ বন্ধ থাকায় মোট সরবরাহ আরও কমে গেছে।

একসময় দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হতো। বর্তমানে মজুত কমে যাওয়ায় উৎপাদন কমে প্রায় ১ হাজার ৬৪৫ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। গ্যাসের ঘাটতি সামাল দিতে ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরু করা হয়। এ জন্য দেশে দুটি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।

রাজধানীর অনেক এলাকায় দুই দিন ধরে দিনের বেলায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বুধবার মধ্যরাতে কিছু সময়ের জন্য গ্যাস এলেও সকালে আবার বন্ধ হয়ে যায়।

এতে অনেক বাসাবাড়িতে রান্না বন্ধ হয়ে গেছে। লাইনের গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোও সমস্যায় পড়েছে। অনেক হোটেলে রান্না বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!