২০২৬ সালের আজকের দিনে মৃত্যুবরণ করেন বক্সিং জগতের কিংবদন্তি মোহাম্মদ আলী। তিনি হ্যাভিওয়েট বক্সিংয়ে গড়েছেন অনেক কীর্তি। জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা। তাই তো তিনি গত শতকের সেরা বক্সার। তার ঘুষির সামনে দাঁড়ানোর ক্ষমতা ছিল কম মানুষেরই।
মোহাম্মদ আলী এসেছিলেন বাংলাদেশেও। বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে সুন্দরবন, রাঙামাটি, কক্সবাজার আর সিলেটের চা-বাগানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। কক্সবাজারে এক বিঘা জমি উপহার দেওয়া হয় আলীকে। তিনি বলেছিলেনÑ আমেরিকা থেকে বের করে দিলেও আমার আরেকটা বাড়ি থাকবে বাংলাদেশে। বিদায় বেলায় আবারও বাংলাদেশে আসার আকাক্সক্ষার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। আমেরিকায় ফিরে গিয়ে সবাইকে বলেছিলেনÑ স্বর্গ দেখতে চাইলে বাংলাদেশে চলে যাও।
মোহাম্মদ আলীর বক্সিংয়ে আসাটা ছিল অনেকটা নাটকীয়। ১২ বছর বয়সে তিনি এক সাইকেল চোরকে ধরেন। ধরার সময় চোরকে এমনভাবে ঘুষি মারেন, যেটা দেখে লুইসভিল থানার পুলিশ অফিসার জো মার্টিন মুগ্ধ হয়ে যান। এই মার্টিনই আলীর প্রথম বক্সিং কোচ। মোহাম্মদ আলী ১৯৫৪ সালে প্রথম অপেশাদার বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ছয়বার কেন্টাকি গোল্ডেন গ্লাভস, দুবার জাতীয় গোল্ডেন গ্লাভস উপাধি লাভ করেন আলী। এরপর রোমে অনুষ্ঠিত ১৯৬০ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে বক্সিং প্রতিযোগিতায় লাইট হেভিওয়েট বিভাগে স্বর্ণপদক লাভ করেন। জিতেছেন আরও অসংখ্য পুরস্কার। ১৯৬৪ সালে তিনি তৎকালীন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অপরাজেয় সনি লিসটনকে পরাজিত করে হেভিওয়েট বক্সিংয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের প্রথম মুকুট জিতেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন