× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৭:০২ এএম

সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ

পাম্প অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৭:০২ এএম

পাম্প অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ উঠলেও পাম্প অপারেটর মো. কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে না কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা। খামারের পুকুরপাড়ের গাইড ওয়াল বিক্রির এক মাস পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে অন্যের ওপর দায়ভার চাপাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগেও নারী কেলেঙ্কারি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে বারবার আলোচনায় এসেছেন এই কর্মচারী।

জানা যায়, গত ১৯ মে খামারের পুকুর পাড়ের ৫০টি টিনশেডের গাইড ওয়াল তুলে বিক্রির অভিযোগে কাঞ্চন মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনরত তৎকালীন খামার ব্যবস্থাপক মায়মুনা জাহান স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গাইড ওয়াল বিক্রির কথা কাঞ্চন মিয়া মৌখিকভাবে স্বীকার করেছেন। এতে খামারের পুকুরপাড় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা সরকারি চাকরি বিধিমালা পরিপন্থি। নোটিশে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল।

অভিযোগের বিষয়ে পাম্প অপারেটর কাঞ্চন মিয়া বলেন, ‘আমি গাইডওয়াল তুলেছি ঠিকই, কিন্তু বিক্রি করিনি। সেগুলো একটি ঘরে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। আমি কোনো অন্যায় করিনি, তাই আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।’

তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মায়মুনা জাহান বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, কাঞ্চন মিয়া চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন এবং তার জবানবন্দিসহ সব নথিপত্র ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা অফিসে পাঠানো হয়েছে। বর্তমান খামার ব্যবস্থাপক শামীমা সুলতানা বলেন, ‘হজ থেকে ফিরে বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে আমাদের আর কী করার আছে?’

এদিকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াটি এখনো কেন ঝুলে আছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধূম্রজাল। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহামেদ দাবি করেছেন, উপজেলা অফিস থেকে এখনো কোনো চিঠি পাননি। চিঠি পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অথচ উপজেলা পর্যায় থেকে ফাইল পাঠানোর দাবি করা হলেও জেলা কর্মকর্তার এই বক্তব্যে স্থানীয়ভাবে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

একাধিকবার নানা অপকর্মে জড়ানো কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে খামারের অন্য কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!