× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০৬:১৫ এএম

শিশু নিসা ধর্ষণ ও হত্যা

মামলার মাত্র ৮ দিনে আদালতে চার্জশিট দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০৬:১৫ এএম

মামলার মাত্র ৮ দিনে আদালতে চার্জশিট দিল পুলিশ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছর বয়সি শিশু নিসা মনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছিল। ঘটনার মাত্র ৮ দিনের মাথায় মামলার রহস্য উন্মোচন এবং তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম চারজনকে অভিযুক্ত করে এই চার্জশিট জমা দেন। বিচারক তনয় সাহা চার্জশিটটি গ্রহণ করেছেন।

অভিযুক্ত চার আসামি হলেনÑ ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের মারুফ মিয়া (১৬), আরিফ মিয়া (১৯), সিয়াম মিয়া (১৮) এবং রাকিব মিয়া (২১)।

মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুন বিকেলে উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের রাজু ওরফে লাক মিয়ার মেয়ে শিশু নিসা মনি নিজ বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সন্ধান পাননি। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে কংস নদের বাঁকে বালুর নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাতেই দাফনের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে গুরুতর জখম দেখতে পায় পরিবার। বিষয়টি বুঝতে পেরে দাফন স্থগিত করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরদিন রাতে নিসার বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা পুলিশ দ্রুত অনুসন্ধানে নামে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আসামিদের আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। আদালত মারুফ মিয়াকে কিশোর বয়সি হওয়ায় শিশু সংশোধনাগারে এবং অপর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

এদিকে নিসা মনির অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া কাটেনি। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের যেন দ্রুত ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানো হয়।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। আমরা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ডিএনএ রিপোর্টসহ সকল বৈজ্ঞানিক আলামত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংগ্রহ করেছি। আসামিদের স্বীকারোক্তি এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই এই চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং নিসা মনির পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!