× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৭:১৮ এএম

চরফ্যাশনে ম্যাজিক জালের থাবা

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৭:১৮ এএম

চরফ্যাশনে ম্যাজিক জালের থাবা

ভোলার চরফ্যাশনে বর্ষার নতুন পানিতে দেশি প্রজাতির মাছের আনাগোনা বাড়লেও অবাধে চায়না রিং জাল ও কারেন্ট জালের ব্যবহারে এসব মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর এসব জালে মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন জলজ প্রাণীও ধরা পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে দেশি মাছের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এর মধ্যে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করা অনেক মানুষও মাছের সংকটের কারণে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন। এ সুযোগে বাজারে আসা চায়না রিং জাল বা চায়না দুয়ারি (স্থানীয়ভাবে ম্যাজিক জাল নামে পরিচিত) ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে অল্প সময়ে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ায় দেশি মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে চরফ্যাশন উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার অধিকাংশ এলাকার খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন পানির সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছও এসব জলাশয়ে প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে বাইলা, পুঁটি, টেংরা, বাইম, বুতকুলি, খলশে, কৈ, শিং, মাগুর, বোয়াল, শোল, টাকি, চান্দা, ভেদা, হোয়াইল্লা ও পাবদাসহ নানা প্রজাতির মাছ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব মাছ ধরতে খাল-বিল ও জলাশয়ে যত্রতত্র চায়না রিং জাল ও কারেন্ট জালের ফাঁদ পেতে রাখা হচ্ছে। মৌসুমি জেলে ছাড়াও স্থানীয় নারী ও শিশুরাও এ ধরনের মাছ শিকারে যুক্ত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এক দশক আগেও এ এলাকায় মাছ ধরতে ঝাউ, চাই, ফলোফা, ঠেলা জাল ও বরশির মতো দেশীয় পদ্ধতির ফাঁদ ব্যবহার করা হতো। এসব পদ্ধতিতে মাছের বংশবৃদ্ধিতে তেমন ক্ষতি হতো না। কিন্তু বর্তমানে চায়না রিং জাল ও কারেন্ট জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় দেশি মাছের প্রজাতি বিলুপ্তির পথে যাচ্ছে।

সম্প্রতি কয়েক দিনের বৃষ্টির পর দেখা গেছে, কিছু অসাধু শিকারি নিজেদের খাওয়া ও বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব ক্ষতিকর জাল ব্যবহার করে মাছ ধরছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, চায়না রিং জালে মাছের পাশাপাশি সাপ, ব্যাঙসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীও আটকা পড়ে। খাল-বিলে নতুন পানি এলেই তারা এ ধরনের জাল ব্যবহার করেন।

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, ‘উপজেলায় গভীর খাল-বিল ও জলাশয়ের সংখ্যা কম। এ ছাড়া শুকনো মৌসুমে অনেক জলাশয়ে পানি থাকে না। ফলে দেশি প্রজাতির মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চায়না রিং জাল ও কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব জাল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। খুব শিগগিরই মৎস্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের জাল উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!