× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১০:২৮ এএম

চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত, বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১০:২৮ এএম

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।  ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ায় শীতের তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কনকনে ঠান্ডা, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় জেলার শহর ও গ্রামাঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি শীত মৌসুমে এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ডের সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ। ফলে ঠান্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ থেকেই চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে।

হাড় কাঁপানো এই শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। তীব্র শীত উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হতে হচ্ছে দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক ও বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষকে। অনেককে খোলা আকাশের নিচে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

শহর ও গ্রাম—উভয় জনপদেই শীতের তীব্রতায় স্থবিরতা নেমে এসেছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল বাতাসের কারণে শীতের দাপট কমছে না।

এদিকে, শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতজনিত রোগব্যাধিও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ও বয়োবৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৪০০ থেকে ৫০০ জন রোগী শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়াসহ নানা সমস্যার চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকরা শীতজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, আজ সকালে রেকর্ড করা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!