× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১১:৩৫ এএম

ওসিকে বৈষম্যবিরোধী নেতার হুমকি, ভিডিও ভাইরাল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১১:৩৫ এএম

থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী হাসান। ছবি : ভিডিও থেকে সংগৃহীত

থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী হাসান। ছবি : ভিডিও থেকে সংগৃহীত

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব মাহদী হাসানের বিরুদ্ধে। ভিডিওতে মাহদী হাসান থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে তর্কের সময় হুমকিস্বরূপ বক্তব্য দেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এ ঘটনা ঘটে।

ভিডিওতে দেখা যায়, মাহদী নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা দাবি করে বিভিন্ন সহিংস ঘটনার কথা উল্লেখ করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্দোলন করে গভর্নমেন্টকে রিফর্ম করেছি। আমাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা করছেন। এখন বলছেন, আন্দোলনকারী হয়েছেন তো কী হয়েছে? আমাদের এখানে ১৭ জন শহীদ হয়েছে। আমরা বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছি।’

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ছাত্রলীগের এক নেতা এনামুল হাসান নয়নকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। পরে মাহদী হাসানের নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলনের একটি টিম থানায় গিয়ে আটক নেতাকে ছেড়ে দিতে পুলিশকে চাপ দেয়। পুলিশ প্রথমে অস্বীকৃতি জানালে মাহদী ও তার সহযোগীরা ওসির সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে পুলিশ নেতাকে ছেড়ে দেয়।

হবিগঞ্জ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী বলেন, ‘মাহদীর এই ধরনের হুমকিস্বরূপ বক্তব্য ভবিষ্যতে মামলা হলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।’

অভিযোগের বিষয়ে মাহদী হাসান বলেন, “রাগান্বিত হয়ে কথা বলার সময়ে ‘স্লিপ অব টাং’ হয়ে গেছে। পরে বুঝতে পেরেছি।”

হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন বলেন, ‘আমি ভিডিওটি দেখেছি এবং involved পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। ওসির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নয়ন নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছিল। পরে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নয়নকে নিজেদের পক্ষের দাবি করে প্রমাণাদি দেখান। ওই সময়ই থানার ভেতরে কথাবার্তা হয়েছে।’

পুলিশ সুপার আরও জানান, আটক ব্যক্তি বর্তমানে ছাত্রলীগ নেতা কি না, তা নিশ্চিত নয়। তবে আগে তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!