× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৯:২২ এএম

ভিন্ন পরিচয়ে করতেন ডাকাতি, মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ২

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৯:২২ এএম

গ্রেপ্তার ২ জন। ছবি : সংগৃহীত

গ্রেপ্তার ২ জন। ছবি : সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জে ভিন্ন কৌশলে ছিনতাই ও ডাকাতি করত একটি চক্র। কৌশল হিসেবে তারা নিজেদের র‍্যাব, পুলিশ ও ডিবি পরিচয় দিত। এ চক্রের মূল হোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে র‍্যাবের পোশাক (কটি), ওয়াকিটকির চার্জার এবং লুণ্ঠিত নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— পিরোজপুর জেলার দক্ষিণ গাবতলী এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আ. রহমান মেহেদী (৩৬) এবং পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার চর কাজড় এলাকার নুর ইসলামের ছেলে মো. রাসেল (৩৮)। বর্তমানে তারা ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী এলাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মেহেদীর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১৮টি এবং রাসেলের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর শ্রীনগর থানায় দায়ের হওয়া একটি ডাকাতি মামলার তদন্তে নামে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও শ্রীনগর থানা পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে প্রথমে যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তার ভাড়া বাসা থেকে দুটি র‍্যাবের কটি, একটি পিস্তলের কভার, দুটি ওয়াকিটকির চার্জার এবং নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মেহেদীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে কদমতলী এলাকা থেকে তার সহযোগী রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার (পশ্চিম) পুলিশ পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে র‍্যাব ও ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি ও দস্যুতা করে আসছিলেন।’

তিনি আরও জানান, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Link copied!