× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৭:১৫ এএম

মামলার সাক্ষীকে প্রকাশ্যে মাথা ও ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৭:১৫ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার গাবতলীতে জমি-সংক্রান্ত একটি মামলার সাক্ষী আবু বক্কর সিদ্দিককে (৫৫) পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক ওই গ্রামের মৃত ছাত্তার প্রামাণিকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দুই পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক ওই বিরোধের একটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় তিনি বাজার থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় তিনি সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষের একাধিক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। প্রকাশ্যে মাথা ও ঘাড়ে একের পর এক কোপ দিলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় আরও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—দৃষ্টি (১৫), সেফা (৩৫) ও জেমি আক্তার (৩৮)। আহতদের মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের মেয়ে হিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, জমি-সংক্রান্ত একটি মামলায় তার বাবা সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। সেই মামলার কারণে তাকে আগেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরিকল্পিতভাবে পথেঘাটে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির বলেন, এটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড। নিহত ব্যক্তি মামলার সাক্ষী ছিলেন—এ বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!