ঋণখেলাপির দায়ে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী টি এস আইয়ুবের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) বহাল রেখেছে। অন্যদিকে, টি এস আইয়ুব আদালতে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছিলেন, তবে সেটিও খারিজ হয়ে গেছে; বরং আদালত ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন।
এই আসনে বিএনপি ধানের শীষের প্রতীক দেওয়া হয়েছে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নেতা মতিয়ার রহমান ফারাজীকে। তিনি দলের অভয়নগর উপজেলা কমিটির সভাপতি। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও বিএনপি একাধিক নেতাকে প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুত রাখেছিল, তার মধ্যেও ফরাজী ছিলেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মশিউর রহমান। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মতিয়ার রহমান ফারাজী নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের দীর্ঘদিনের পছন্দ, তিনি সেই আস্থা পেয়েছেন।’
তা ছাড়া, গত রবিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, দল যোগ্যদের মূল্যায়ন করছে।
জানতে চাইলে ঢাকা ব্যাংকের ধানমন্ডি মডেল শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এস. এম. রাইসুল ইসলাম নাহিদ জানান, ‘আমাদের টাকা পরিশোধ না করার কারণে যশোর-৪ আসনে টি. এস. আইয়ুবের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে বলে শুনেছি। অচিরেই সেই টাকা না দিলে তার বিরুদ্ধে আমাদের আইনি লড়াই চলবে এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে আদালতকে সুপারিশ করা হবে।’
এর আগে, গত মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানিতে যুক্তিতর্ক শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টি. এস. আইয়ূবের প্রার্থিতা বাতিল বহাল রাখা হয়। তার আগে, ২ জানুয়ারি ঋণখেলাপির দায়ে টিএস আইয়ুবের প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা ব্যাংকে ঋণ খেলাপি রয়েছেন।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন