× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

শিশু ফাতেমা হত্যা

জমির বিরোধে কৃষক পরিবারকে ফাঁসানোর অভিযোগ 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে কৃষক তোফায়েল আহেমদসহ (৮৬) তার পরিবারকে শিশু কানিজ ফাতেমা হত্যাকাণ্ডে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। 

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের চকবাজার এলাকায় একটি গণমাধ্যম কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তোফায়েলের মেয়ে লাকি বেগম এ অভিযোগ করেন। 

লাকি বলেন, ফাতেমার নিখোঁজ হওয়ার দিনই আমার বাবা তোফায়েলকে পুলিশ সন্দেহভাজন আটক করে। পরে শিশুটির মা জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন বাদি হয়ে অপহরণ মামলা করলে আমার বাবাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ওই মামলায় আমার মা ফিরোজা বেগম (৭০) ও ভাবি নিশু আক্তারকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

লাকি অভিযোগ করে বলেন, ফাতেমাকে বাড়ি আশপাশে একাধিকবার পুলিশসহ আত্মীয়-স্বজনরা খোঁজ করে পায়নি। আমাদের সেফটিক ট্যাংকিটাও ভাঙা ছিল। পুলিশ সেখানেও খোঁজ করিয়েছে। কিন্তু নিখোঁজের তিনদিন পর শিশুর দাদি কোহিনুর বেগম মেথর এনে ওই ট্যাংকি থেকে ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে। পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে হত্যা করে আমাদের পরিবারের সদস্যদের ফাঁসাতে মরদেহ এনে ট্যাংকিতে ফেলে রেখেছে। এ ঘটনায় কোহিনুর নিজেই জড়িত রয়েছে। আমরা সঠিক তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রায়পুর উপজেলার পশ্চিম চরমোহনা গ্রামে তোফায়েলের বাড়ির সেফটিক ট্র্যাংক থেকে দেড় বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি একই বাড়ির কাঞ্চন হোসেনের মেয়ে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফাতেমা নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেরিন গুমের অভিযোগ এনে রায়পুর থানায় একই বাড়ির তোফায়েল, ফিরোজা ও নিশুকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। 

শিশুর মা জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারী যেই হোক, আমি তার বিচার চাই। 

শিশুর দাদি কোহিনুর বেগম বলেন, পুলিশের পরামর্শেই মেথরের মাধ্যমে সেফটিক ট্যাংকে খোঁজ করে আমার নাতনির মরদেহ পেয়েছি। মেথর আসতে দেরি হওয়ায় পুলিশ চলে যায়। পরে মরদেহ পাওয়া গেলে পুলিশ আবার আসে। 

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, আমরা বাড়ির আশপাশে একাধিকবার খুঁজেছি, কিন্তু বাচ্চাটিকে পাইনি। পরে সেফটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ জন কারাগারে রয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত চলছে। তদন্তে শিশু ফাতেমার মৃত্যু নিয়ে সঠিক তথ্য উঠে আসবে।

Link copied!