কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণোৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ২টায় লালন একাডেমি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার।
জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার)। মুখ্য আলোচক ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রাশিদুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেখক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেন, ‘যে সংস্কৃতি আমাদের বিকশিত করতে পারে সেই সংস্কৃতি চর্চা করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘কুষ্টিয়াকে একটি আধ্যাত্মিক নগরী, একটি ধর্মচর্চার ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’
জানা যায়, দোলপূর্ণিমা তিথিতে প্রতি বছর কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে তিন দিনব্যাপী সাড়ম্বরে ফকির লালন শাহের স্মরণোৎসব উদযাপিত হয়। সাধু-গুরু ও লালনভক্তদের সরব উপস্থিতি, গান আর গ্রামীণ মেলায় জমজমাট হয়ে ওঠে আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণ। তবে রমজান মাসের কারণে এবার স্বল্প পরিসরে উদযাপিত হয়েছে লালন স্মরণোৎসব। রীতি অনুযায়ী চলে সাধুসঙ্গ। উৎসবকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন আগে থেকেই আখড়াবাড়িতে আসেন লালনভক্ত বাউল-ফকিররা। খণ্ড খণ্ড দলে ভাগ হয়ে তারা আসনে বসেন। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বাউল ও ভক্তদের উপস্থিতি বেশ কম।
বাউলরা জানান, ‘আমরা এখানে আসি নিজেকে জানার ও খুঁজে পাওয়ার জন্য। সাঁইজি পথ দেখিয়ে গেছেন, সেই পথে হাঁটলেই একদিন ঠিক রাস্তা পাওয়া যাবে। আত্মশুদ্ধি ও ভালোবাসার টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা আসেন।’



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন