× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ০৪:৫৩ এএম

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিবের বিরুদ্ধে ২৬ নেতার অনাস্থা, অব্যাহতি দাবি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ০৪:৫৩ এএম

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিম (রিপন)। ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিম (রিপন)। ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিমের (রিপন) বিরুদ্ধে লিখিত অনাস্থা প্রকাশ করেছেন আহ্বায়ক কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য। 

জানা গেছে, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ৩৩ সদস্যের মধ্যে ২৬ জন রিপনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। তারা অভিযোগপত্রের মাধ্যমে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে পাঠিয়ে রিপনকে সদস্য সচিবের পদ থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগপত্র ৭ মার্চ ঢাকার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ফয়জুল করিম মঈনকে আহ্বায়ক করে ৩২ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলেও তখন সদস্য সচিবের পদ রাখা হয়নি। পরে ২৯ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম রিপনকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়, যা জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাকর্মীকে বিস্মিত করেছে।

অভিযোগকারীরা রিপনের বিরুদ্ধে দলীয় নিয়মনীতি ভঙ্গ, সিনিয়র নেতাদের অসম্মান, তৃণমূল কর্মীদের কাছে অগ্রহণযোগ্য আচরণ এবং দ্বিমুখী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়া রিপনের ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, এলাকার মিনিবাস টার্মিনাল দখল, চাঁদাবাজি ও মামলা–বাণিজ্যে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, রিপনের কারণে জেলা বিএনপির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তাই ২৬ সদস্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে রিপনকে সদস্য সচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগপত্রের কপি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জে এম জাহিদ হোসাইন এবং সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি. কে গিয়াসের কাছেও পাঠানো হয়েছে। 

দাবি করা হয়েছে, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!