× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

মানসিক প্রতিবন্ধীর কোলজুড়ে এলো কন্যাসন্তান, বাবার পরিচয় অজানা

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

মানসিক প্রতিবন্ধীর কোলজুড়ে এলো কন্যাসন্তান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মানসিক প্রতিবন্ধীর কোলজুড়ে এলো কন্যাসন্তান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক মানসিক প্রতিবন্ধীর কোলজুড়ে এসেছে এক কন্যাসন্তান। স্থানীয়রা তাকে ‘পাগলী মুক্তা’ নামে চেনে। তবে শিশুটির বাবার পরিচয় রহস্যজনক অবস্থায় রয়েছে এবং কেউ মুখ খুলতে চাচ্ছেন না।

সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামে ওই মানসিক প্রতিবন্ধী নারী কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

স্থানীয় সংবাদকর্মী খন্দকার এনামুল বাসার জানান, এই নারী দীর্ঘদিন নিরাপত্তাহীন অবস্থায় ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে শিশুটির জন্ম পুরো এলাকার জন্য উদ্বেগের বিষয়। এটি শুধু ব্যক্তিগত নয়, সমাজেরও দায়।

জানা গেছে, নিজের ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও ওই নারী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও রহস্য কাটছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই নারী নিরাপত্তাহীন অবস্থায় ঘোরাফেরা করতেন। তার সুরক্ষায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে—এ ঘটনার দায় নেবে কে?

নবজাতক শিশুটি জন্মের পর থেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তার পরিচয়, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নিয়েও রয়েছে বড় ধরনের উদ্বেগ। সচেতন মহল বলছে, শিশুটির কোনো অপরাধ নেই; তার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।

অনেকে মনে করছেন, মাদকাসক্তি ও সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। নেশার প্রভাবে মানুষের মানবিকতা ক্ষয়ে যাচ্ছে, ফলে নিরীহ ও অসহায় মানুষের ওপর নির্যাতন ঘটছে।

স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারী ও শিশুর চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

সচেতন মহল মনে করছে, শুধু নিন্দা জানানোর পর্যায়ে থাকলে চলবে না। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Link copied!