× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

বরিশালে চাচাতো ভাইদের মারধরে বৃদ্ধের মৃত্যু

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

বরিশালে চাচাতো ভাইদের মারধরে রিয়াজ হাওলাদার ওরফে শুক্কুর মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে বরিশাল মেট্রোপলিটনের কাউনিয়া থানাধীন সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের সাপানিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তাকে মারধর করেন চাচাতো ভাই শহিদ হাওলাদার, খোকন ও জাহিদ হাওলাদার। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, বছরখানেক আগে রিয়াজ হাওলাদার ওরফে শুক্কুর মিয়া পার্শ্ববর্তী শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা স্বপন খানকে তাদের এলাকায় জমি কিনতে সহযোগিতা করেন। কিন্তু কুরবান হাওলাদার বাড়িসংলগ্ন ওই জমিতে প্রবেশ করতে গেলে তাকে ভয়ভীতি দেখানোসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন মৃত ওহাব হাওলাদারের ছেলেরা অর্থাৎ শুক্কুরের চাচাতো ভাই শহিদ, খোকন ও জাহিদ হাওলাদার। এ নিয়ে শুক্কুরের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

নিহতের ছেলে জুবাইল ইসলাম শুভ অভিযোগ করে বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে আমার বাবাকে তার চাচাতো ভাইয়েরা এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

কাউনিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘মারধরে মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ সাপানিয়া গ্রামে যায়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে এজাহার দিতে বলা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।’

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত খোকন হাওলাদার বা তাদের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্কুর হাওলাদারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Link copied!