× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৩:১৪ এএম

ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে ডিজেল ও সরকারি চাল উদ্ধার

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৩:১৪ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও সরকারি বরাদ্দের চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন। 

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চরকালেখান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুমন ঘরামি (সুমন মেম্বর) ও তার ভাই বাচ্চু আলমের বাড়ি থেকে এসব জব্দ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুমন ঘরামির বাড়ি থেকে ২০০ লিটার ডিজেল ও প্রায় এক টন সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। একই সময় তার ভাই বাচ্চু আলমের গোয়ালঘর থেকে আরও ৬০০ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরাগ সাহা। প্রশাসনের দাবি, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান চালানো হয়।

এ ঘটনায় বাচ্চু আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে সুমন ঘরামির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উদ্ধার করা মোট ৮০০ লিটার ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন জানায়, উদ্ধার করা চালের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সুমন ঘরামি। ফলে চালের উৎস ও মজুতের বৈধতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে ডিজেল মজুত করা হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, একজন ইউপি সদস্যের বাড়িতে সরকারি চাল থাকার কথা নয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম সরওয়ার বলেন, জব্দ করা চালের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথাযথ প্রমাণ দিতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ধার করা ডিজেল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে।

এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!