× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

ফুলবাড়ীতে তেলের পাম্পে চিত্র বদল

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে গত কয়েক মাস ধরে চলা জ্বালানি তেলের সেই পরিচিত দীর্ঘ লাইন এখন অনেকটাই উধাও। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে পুড়ে বা রাত জেগে তেলের জন্য অপেক্ষার যে দুঃসহ চিত্র ফুলবাড়ীবাসী দেখেছে, তাতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। সরকার ‘ফুয়েল কার্ড’ ব্যবস্থার প্রবর্তন, সরবরাহ বৃদ্ধি এবং তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণের পর পাম্পগুলোতে ফিরেছে শৃঙ্খলা ও স্বস্তি।

ফুলবাড়ীতে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। পাম্পগুলোতে এখন পর্যাপ্ত তেলের মজুদ থাকলেও আগের মতো ক্রেতার ভিড় নেই।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েক দিন আগেও যেখানে এক থেকে দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন ছিল, সেখানে এখন পরিবেশ অনেকটাই ফাঁকা, সুনসান ও স্বাভাবিক। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি বন্ধ হওয়া এবং ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত গ্রাহকদের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

মোটরসাইকেল চালক নূরে আলম সিদ্দিক, হিরেন্দ্রনাথ বর্মন এবং ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি মকবুল হোসেন বলেন, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যেত না। এখন ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার কারণে দ্রুত ও সহজে তেল পাওয়া যাচ্ছে। ভোগান্তি বা হট্টগোল নেই। পরিবেশও অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক।

ফুলবাড়ী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. লিটন সরকার জানান, আগে তেল সরবরাহের দিনে প্রায় তিন হাজার লিটার পেট্রল বিক্রি হতো। বর্তমানে সেই পরিমাণ তেল বিক্রি করতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগছে। একই সঙ্গে নতুন করে তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকায় কোনো সংকট নেই।

স্থানীয় ইফতি ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী খোকন বলেন, তেল নিয়ে সাময়িক সমস্যা থাকলেও এখন ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে সরবরাহ শুরু হওয়ায় সেই সংকট কেটে গেছে। সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ হাছান বলেন, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি তেল সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয়ের মাঝেই স্বস্তি ফিরেছে।

Link copied!