× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

অতিরিক্ত ভাতা চালুর দাবিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে ‘অধিকাল ভাতা’ (ওভারটাইম) পুনরায় চালুর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বেনাপোল স্থলবন্দর কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদ। মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে কর্মবিরতির কারণে দুই ঘণ্টা দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের প্রশাসনিক সব কার্যক্রম বন্ধ থাকে।

রোববার (১০ মে) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত কর্মচারীরা বন্দরের ‘কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালে’ এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বলে জানান বেনাপোল স্থলবন্দর কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান মিয়া।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা বন্ধের প্রতিবাদ এবং পুনরায় চালুর দাবিতে রোববার (১০ মে) ও সোমবার (১১ মে) দুই দিন এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থলবন্দর কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদের নেতারা।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দৈনিক নির্ধারিত কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত সময় কাজের জন্য ২২ বছর ধরে কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা দিয়ে আসছে। আমরাও সেভাবেই কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত সময় কাজ করে আসছিলাম। কিন্তু ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় ওই ভাতা বন্ধ করে দেয়। অতিরিক্ত ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছি। তাই অধিকাল ভাতা পুনরায় চালুর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলনসহ কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হবে বলেও জানান বক্তারা।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্মচারী দাবি আদায় পরিষদের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান মিয়া বলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা প্রবিধানমালা ২০২৫-এর ধারা ৩(ক) এবং বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা প্রবিধানমালা ২০০৭-এর ধারা ৩ (ক, খ, গ, ঘ) অনুযায়ী প্রশাসনিক ও রাজস্ব দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকাল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত। তবে বাস্তবে বেনাপোল-পেট্রাপোল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলে সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত। পাশাপাশি সকাল ৬টা থেকেই প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হয়।

এ ছাড়া প্রধান দপ্তরের ২০১৭ সালের ২৬ জুলাইয়ের স্মারক অনুযায়ী ২০১৭ সালের ১ আগস্ট থেকে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশনা রয়েছে। ফলে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্দর কার্যক্রম পরিচালনা বাস্তবসম্মত নয় বলে দাবি কর্মচারীদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন: স্থলবন্দর বেনাপোলের ট্রাফিক পরিদর্শক নাহিদুজ্জামান, মেহেদী হাসান, লিটন হোসেন, শাহাদাত হোসেন, তারেক রহমান, আমিনুর রহমান, হাফিজুর রহমান ও আবুল বাশার প্রমুখ।

Link copied!