× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০২:০০ পিএম

অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তার জমি দখলে নিতে মরিয়া প্রতিপক্ষরা!

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০২:০০ পিএম

অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম আকন তার জমির সামনে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম আকন তার জমির সামনে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম আকনের জমি প্রতিপক্ষরা দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে প্রতিবেশী সোহরাব হাওলাদার সেলিম হাওলাদার, ওহাব হাওলাদারের বিরুদ্ধে সহকারি পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

রোববার (১১ মে) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম আকন সোমবার (১১ মে) সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, ২০০০ সালে বিবাদীদের চাচার নিকট থেকে ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে বসতঘর উত্তোলন করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিপক্ষরা জমির সীমানার পাশ থেকে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। যে কারণে বর্তমানে তার প্রাপ্য জমি ইতিমধ্যে কমে গেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষরা কোনো সালিশ ব্যবস্থা মানছেন না। তারা সংখ্যায় বেশি হওয়ার কারণে বারবার জবরদখল করছেন। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. সোহরাব হাওলাদার বলেন, নুরুল ইসলাম আকন তার প্রাপ্য জমি ভোগ দখল করছেন। তার নিজের পুত্র সন্তান পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের উপস্থিতিতে আগে সালিশ ব্যবস্থা হয়েছে এবং সীমানা নির্ধারণ হয়েছে। তিনি অন্যায়ভাবে হয়রানি করার জন্য বারবার আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছেন। আমরাও চাই কার্যকরীভাবে এ ঘটনার সমাধান হোক। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী সরে জমিনে পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে বিষয়টি সুষ্ঠু ফয়সালা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Link copied!