× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

৭ মাস পর বেতন জটিলতার অবসান, ফিরল স্বস্তি

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দীর্ঘ সাত মাস ধরে বেতন-ভাতা না পাওয়ার জটিলতায় ভোগা বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া শাহ এয়তেবারিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে অবশেষে স্বস্তি ফিরেছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরুখ খান বকেয়া বেতন-ভাতার কাগজপত্রে স্বাক্ষর করায় এ জটিলতার অবসান ঘটে।

জানা গেছে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জিএম মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন পরিচালনা কমিটি তাকে শোকজ করে এবং পরে সাময়িক বরখাস্ত করে। পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করে বরখাস্তাদেশের ওপর স্থগিতাদেশ নেন।

এরপর থেকে অধ্যক্ষ দীর্ঘদিন মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান কার্যক্রমে জটিলতা দেখা দেয়। এ অবস্থায় মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মুহা. মোশাররফ হোসাইন শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের দাবিতে হাইকোর্টে আবেদন করেন। পরে মহামান্য হাইকোর্ট গত ৪ মে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের বিধি অনুযায়ী দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খানকে মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন।

মঙ্গলবার সকালে অধ্যক্ষ মাদ্রাসায় আসবেন, এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মাদ্রাসার সামনে বিক্ষোভ করেন। পরে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে ইউএনও শাহরুখ খান মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের সাত মাসের বকেয়া বেতন-ভাতার কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তালোড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল জলিল খন্দকার, সাবেক সহসভাপতি মোশারফ হোসেন মুন্সি সেলিম, সাবেক প্যানেল মেয়র সৈয়দ আবু হাসান আজাদসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মুহা. মোশাররফ হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘ ২১ মাস অধ্যক্ষ মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীরা সাত মাস ধরে বেতন-ভাতা পাননি। অবশেষে ইউএনও মহোদয়ের স্বাক্ষরের মাধ্যমে সেই জটিলতার অবসান হয়েছে।’

ইউএনও শাহরুখ খান বলেন, ‘অধ্যক্ষের দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা প্রাপ্তিতে ভোগান্তিতে ছিলেন। তাদের স্বার্থ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষর করা হয়েছে।’

Link copied!