× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ, ১৩ দিনেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমোদনের পর অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ জানান, ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত মনির হোসেনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ায় অভিযোগপত্রে তাকেই একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের উদ্দেশে শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে, যা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

২০২৬ সালে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় বলা হয়েছে, ১৬ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর সঙ্গে সম্মতিসহ বা সম্মতি ছাড়া যৌনকর্ম সংঘটিত হলে তা ধর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আসামি মনির হোসেনের (৩০) বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তিনি চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার নুর হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার ‘ভাই ভাই ডেকোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এবং সেখানেই বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, গত ২১ মে দুপুরে ডেকোরেশনের গুদামে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নির্যাতন করেন মনির। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাকে আটক করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। তবে থানায় নেওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে পুলিশকে ঘিরে ফেলে। এ সময় পুলিশ ও জনতার মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ, গুলিবর্ষণ এবং পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো বাকলিয়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

পরদিন ২২ মে শিশুটির বাবা বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন মনির হোসেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!