× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষিকার অন্তরঙ্গ দৃশ্য ভাইরাল

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেনের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভিডিওটিতে তাকে ওই উপজেলারই একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে আপত্তিকর ও অসংলগ্ন অবস্থায় দেখা যায়।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে একটি ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি প্রথম আপলোড করা হয় এবং খুব দ্রুত তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওটি ১৮ জুন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর এলাকার ‘জামান হোটেল’-এ ধারণ করা হয় বলে জানা গেছে। এতে দৃশ্যমান ব্যক্তিরা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেন ও একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বলে স্থানীয় শিক্ষক নেতারা নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহল। 

চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মারুফ তার ফেসবুক পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, চন্দনাইশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কবিরের যে ভিডিও ক্লিপ ফাঁস হয়েছে, শিক্ষার মান ধরে রাখতে তাকে অতি দ্রুত চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া খুবই জরুরি, অন্যথায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে।

এই পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে চন্দনাইশ পৌরসভা জামায়াতে ইসলামের আমির কাজী কুতুব উদ্দিন জানিয়েছেন, শিক্ষকদের মধ্যে উনার ব্যাপারে অভিযোগের অন্ত নেই। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হয়েছে, যেখানে রাজীব উদ্দিন চৌধুরী তার ফেসবুক পোস্টে এমপি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নারী কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত এই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্মকর্তাকে অবিলম্বে চন্দনাইশ থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন এবং শিক্ষার মর্যাদা রক্ষায় তাকে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছেন। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি, তার মোবাইল নম্বরে একাধিক কল রিসিভ করেননি এবং হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠানোর পরও তা দেখেও কোনো মন্তব্য বা জবাব দেননি।

ছবির ক্যাপশন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া চন্দনাইশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও এক শিক্ষিকার আপত্তিকর ভিডিওর দৃশ্য।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!