× UCB Sticker Card
শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম

গাজীপুরে কৃষকলীগ নেতা আটক, টাকা নিয়ে ছাড়ার অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম

অভিযুক্ত কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান।

অভিযুক্ত কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান।

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার প্রতাবপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে আটকের পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, আটকের পর ওই নেতার পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ওই নেতাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্থানীয় এক মুদি দোকানিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত ২২ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসআই কামরুল হাসানের নেতৃত্বে ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় স্থানীয় ১০ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে গভীর রাতে তার পরিবারের সদস্যরা দুই লাখ টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পরদিন ২৩ জুন সকালে পুলিশের পরামর্শেই মতিন মিয়া আত্মগোপনে চলে যান।

এদিকে মতিন মিয়া মুক্ত হওয়ার পর স্থানীয় মুদি দোকানি নূর মোহাম্মদকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নূর মোহাম্মদ কোনাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২২ জুন রাতে নূর মোহাম্মদ তার দোকানে বসে থাকা অবস্থায় কোনাবাড়ী থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য মতিন মিয়ার বাড়ির অবস্থান জানতে চান। তিনি বাড়ির অবস্থান দেখিয়ে দিলে ওই রাতেই পুলিশ মতিন মিয়াকে আটক করে নিয়ে যায়। পরদিন মতিন মিয়ার ভাই মো. আলম দোকানে এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তার ভাইকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

নূর মোহাম্মদ বলেন, আমি একজন সাধারণ মানুষ। ছোট একটি মুদি দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করি। পুলিশ বাড়ির অবস্থান জানতে চাইলে দেখিয়ে দিই। পরে শুনি, দুই লাখ টাকা নিয়ে মতিন মিয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন তার পরিবারের সদস্যরা আমাকে দোষারোপ করে হুমকি দিচ্ছে। আমি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই কামরুল হাসান বলেন, ‘এ বিষয়ে পরে কথা বলব।’ এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। দুই লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

কোনাবাড়ী থানার ওসি মো. ইফতেখার আহমেদ বলেন, ওই ব্যক্তিকে আটকের বিষয়টি এবং পরে এক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের কথা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে আমার কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অর্থের বিনিময়ে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পাশাপাশি হুমকির মুখে থাকা মুদি দোকানি নূর মোহাম্মদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Link copied!