× UCB Sticker Card
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

শ্রেণিকক্ষে হাঁটুপানি, চার দিন বন্ধ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা 

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

প্রতিবছর সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠ ও শ্রেণিকক্ষে পানি জমে যায় টুঙ্গিপাড়ার বর্নি জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায়। এতে বন্ধ থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও খেলাধুলা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে এবার মাদ্রাসার মাঠ ও শ্রেণিকক্ষে হয়েছে হাঁটুসমান পানি। তাই গত চার দিন ধরে বন্ধ রয়েছে পাঠদান। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে ওই মাদ্রাসার ৩৬০ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে পানি আটকে থাকায় বাড়ছে আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি।

মাদ্রাসা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের বর্নি জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার একতলা ভবনেই চলে ৩৬০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান। এর মধ্যে নূরানী বিভাগেই পড়াশোনা করে ২০০ জন শিশু শিক্ষার্থী। আর দিনাজপুর, বরিশাল, বাগেরহাট, নোয়াখালী ও খুলনা থেকে আগত প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় থেকে পড়াশোনা করে। প্রতিবছর কয়েকদিন বৃষ্টি হলেই মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পানিতে থৈ থৈ করে। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে পানি নিষ্কাশনের কোনো পথ তৈরি সম্ভব হয় না। তাই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে দেওয়ার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর।

মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের শিক্ষক মুফতি সাইফুল বলেন, সামান্য বৃষ্টিতে নূরানী বিভাগটি সবার আগে তলিয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা, বিছানাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আর্থিক সমস্যার কারণে পানি নিষ্কাশনের কোনো পথ তৈরি করতে পারছে না। এতে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে এই সমস্যা দূর করার দাবি জানাই।

২য় শ্রেণির ছাত্রী হুজাইফা ইসলাম বলেন, গতবছরের মতো এবারও আমাদের শ্রেণিকক্ষ ও মাঠ পানিতে ভরে গেছে। তাই শিক্ষকরা আমাদের পাঠদান করাতে পারছে না, আর আমরা খেলাধুলাও করতে পারছি না। 

সহকারী মোহতামিম মাওলানা ইমদাদুল হক বলেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই এমন ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হয়। একটু বৃষ্টি হলেই মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষ ও মাঠ তলিয়ে যায়। এই সময়টাতে নিরুপায় হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান বন্ধ রাখতে হয়। কারণ জমে থাকা পানি বের করার কোনো উপায় নেই। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম সচল করতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা খুব জরুরি। তাই শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করি।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম বলেন, আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়েছি। মাদ্রাসা ও এতিমখানাটিতে জমে থাকা পানি শিগগিরই নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া আগামীতে যাতে শ্রেণিকক্ষ ও মাঠে পানি জমতে না পারে সেজন্য স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!