× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

ক্যান্সার চিকিৎসার সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুট, অনিশ্চয়তায় সুমনের চিকিৎসা

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ক্যান্সার আক্রান্ত যুবক সুমন মিয়ার (২৭) চিকিৎসার জন্য মানুষের সহায়তায় জোগাড় করা সাড়ে ৩ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় লুট হয়ে গেছে। পরিবারের দাবি, ওই টাকাই ছিল তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার শেষ সম্বল। অর্থ হারিয়ে চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় হতাশায় ভুগছেন সুমন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের নওধার বৈরাগীগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) মানছুরা আক্তার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নওধার বৈরাগীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ছইল মিয়ার ছেলে সুমন দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তার চিকিৎসার জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় অর্থ সংগ্রহ করা হয়। গত ২৯ জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের শিলংয়ে নেওয়া হয়।

চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে আসেন। এ সময় ব্যাংকে থাকা চিকিৎসা সহায়তার অর্থ উত্তোলনের পাশাপাশি এক প্রবাসীর কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন তার বাবা। সব মিলিয়ে চিকিৎসার জন্য জোগাড় করা প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা বাড়ির একটি আলমারিতে কাপড়ের ভাঁজে রাখা ছিল।

সুমনের বাবা ছইল মিয়া বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে ৫ থেকে ৬ জনের একটি দল বাড়ির পেছনের প্লাস্টিকের দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। পরে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে আলমারিতে রাখা চিকিৎসার পুরো টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির খবর পেয়ে শনিবারই ভারত থেকে দেশে ফেরেন সুমন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, মানুষের সহযোগিতায় চিকিৎসার জন্য টাকাগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থই হারিয়ে যাওয়ায় এখন তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) মানছুরা আক্তার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!