× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৫:২৪ পিএম

ভূমিকম্পে আগৈলঝাড়ায় ২২টি বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৫:২৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে অন্তত ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও শ্রেণিকক্ষের দেওয়াল ও ছাদের অংশ খসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। ভূমিকম্পের সময় বিদ্যালয়ে অবস্থানরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দ্রুত বাইরে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৯৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে চারটি বিদ্যালয় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২১ নভেম্বর ভূমিকম্পে সারা দেশের মতো বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো হলো: গৈলা নোনাপুকুরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অশোকসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তালতার মাঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বাগধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

এ বিদ্যালয়গুলোতে বিম, মেঝে, দেওয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সবসময় আতঙ্কে থাকেন—কখন কী ঘটে তা জানা থাকে না।

এ ছাড়া উপজেলার আমবৌলা, পয়সা, নগরবাড়ি, পাকুরিতা, পশ্চিম মোল্লাপাড়া, পশ্চিম সুজনকাঠি, উত্তর বারপাইকা, বারপাইকা, জোবারপাড়, সাহেবেরহাট, চাউকাঠি, ভালুকশী ও রামানন্দের আঁক এলাকায়ও ফাটল দেখা দিয়েছে।

ভূমিকম্পে বিম ও দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে আগৈলঝাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এসব বিদ্যালয়ের পিলার, ছাদ ও মেঝেতে ফাটল দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ক্লাস করার সময় আতঙ্কে থাকেন, কখন ছাদ বা দেওয়াল ধসে পড়বে তা জানেন না। অভিভাবকরাও সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে চিন্তিত থাকেন।

ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক হালিম সরদার জানান, ‘শুনেছি ভূমিকম্পে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ে ছেলে পাঠিয়ে চিন্তায় থাকি কখন কী হয়ে যায়।’

ক্ষতিগ্রস্ত আগৈলঝাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভূমিকম্পে ভবনের ছাদ, দেওয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তারা দেখেছেন এবং সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমজাদ হেসেন জানান, ‘ভূমিকম্পে উপজেলার ৯৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে চারটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোট ২২টি বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা তৈরি করে সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

Link copied!