বরগুনা যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গরু-পশু, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্যচাষ ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাজীব নামের এক প্রশিক্ষণার্থী লিখিত অভিযোগ করেছেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, কেন্দ্রে প্রতিদিন ৫০ জনের ক্লাস হওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, সেখানে মাত্র ৭ জন উপস্থিত। আবাসিক হোস্টেলে থাকা ও খাবারের জন্য প্রতিদিন প্রশিক্ষণার্থীদের নামে ১৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সেখানে নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন মাত্র ৪ থেকে ৫ জন। খাবার গ্রহণ করছেন ১০–১২ জন। অথচ বাকি প্রশিক্ষণার্থীদের নামেও সার্টিফিকেট প্রদানের নামে ১ মাসের ভাতার স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপ-প্রধান কামরুল হাসান উপস্থিতির শিট দেখাতে অনিচ্ছুকতা প্রকাশ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কোর্স শুরু হওয়ার তারিখ ১ জানুয়ারি হলেও কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৫ তারিখে। নির্বাচনের সরকারি বন্ধ থাকলেও প্রশিক্ষণার্থীদের ৪ দিন আগেই বাড়ি পাঠানো হয়েছে। তবু খাবারের ভাতার স্বাক্ষর শুরু হয়েছে ১ জানুয়ারি থেকে, যা প্রকৃত উপস্থিতির সঙ্গে মিলছে না।
রমজান মাসে আবাসিক হোস্টেলে ইফতারও অত্যন্ত নিম্নমানের দেওয়া হয়। এছাড়া আউটসোর্সিং কর্মীরা প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় যুবকদের এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং দূর-দূরান্ত থেকে প্রশিক্ষণার্থী এনে কোর্স সম্পন্ন করানো হচ্ছে।
বরগুনা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাকির হোসেন জানান, ‘তিনি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন এবং তদন্তের পর দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



