বগুড়ার ধুনটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াতের সাতজন নেতাকর্মী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধুনট থানায় বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী হলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল করিম।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন— এলাঙ্গী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি শৈলমারী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৫০), তছের আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৪৯), তারাকান্দি গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে জিয়াউর রহমান (৪৫), আলাউদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান ঠান্ডু (৪৩), রাঙ্গামাটি গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আবু বক্কার (৪৮), ছোহরাব হোসেনের ছেলে এলাঙ্গী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি সামিউল ইসলাম ছনেট (৩০) এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রবিউল ইসলাম (৪৩)।
আহতদের মধ্যে সামিউল ইসলাম ছনেটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের নেতাকর্মীরা শনিবার সন্ধ্যায় এলাঙ্গী বাজারে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণাকালে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতের সাত নেতাকর্মী আহত হন।
এলাঙ্গী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইয়ুব আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপি জামায়াতের কোনো নেতাকর্মীর ওপর হামলা করেনি। জামায়াতের নেতাকর্মীরাই স্থানীয় চিহ্নিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘন করে ভোট চাচ্ছিলেন। বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় রাতেই থানায় একটি মামলা হয়েছে।’



