× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৯:১১ পিএম

দালালের খপ্পরে সর্বহারা পরিবার, তিন মাসেও মেলেনি ছেলের খোঁজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৯:১১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের এক গরিব পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী মো. অনিক মিয়াকে দালালের প্রতারণার মাধ্যমে সৌদি আরবে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পরিবার জানায়, উচ্চ বেতনের ড্রাইভিং ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা আদায় করে তাকে প্রবাসে পাঠানো হলেও গত তিন মাস ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মজলিশপুর গ্রামের আদম ব্যবসায়ী মার্জিয়া বেগম ও স্থানীয় ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম (শরিফ মেম্বার) সৌদি আরবে ড্রাইভিং চাকরির আশ্বাস দিয়ে অনিকের বাবা-মাকে টার্গেট করেন।

সহায়-সম্বল বিক্রি ও ধারদেনা করে প্রায় ৫ লাখ টাকা জোগাড় করে অনিককে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। কিন্তু সৌদিতে পৌঁছানোর মাত্র ১৫ দিনের মাথায় অনিকের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রায় দুই মাস পর অচেনা একটি নম্বর থেকে পাঠানো ভয়েস রেকর্ডে কান্নাজড়িত কণ্ঠে অনিক জানান, তাকে চার লাখ টাকায় এক সৌদি নাগরিকের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তার পাসপোর্ট ও মোবাইলসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং একটি ঘরে আটকে রেখে তাকে অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

ভয়েস রেকর্ডে অনিক তার বাবা-মাকে অনুরোধ করে বলেন, দালাল শরিফ মেম্বার ও মার্জিয়া বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করে যেন তাকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানালে শরিফ মেম্বার ও মার্জিয়া বেগম ‘খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ বলে প্রায় এক মাস ধরে সময়ক্ষেপণ করেন।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে একাধিক বৈঠক হলেও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। এমনকি ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েও কোনো ফল আসেনি।

পরিবার আরও দাবি করে, বাংলাদেশি দালাল চক্রের সদস্য রাজ্জাক, শরিফ মেম্বার, মার্জিয়া বেগম ও সুমা আক্তারের যোগসাজশে অনিককে সৌদি আরবে বিক্রি করা হয়েছে।

অবশেষে নিরুপায় হয়ে অনিকের মা রিমালা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মার্জিয়া বেগম, শরিফ মেম্বার ও সুমা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মজলিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বলেন, ‘অনিকের পরিবার আমাকে বিষয়টি জানালে আমি সমাধানের চেষ্টা করেছি, কিন্তু এখনো সফল হইনি। সৌদি আরবে থাকা রাজ্জাকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। শুনেছি, ছেলেটি মরুভূমি এলাকায় আছে। যেখানে তার থাকার কথা, সেখানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাদের অনুরোধ জানিয়েছি।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!