ফরিদগঞ্জ উপজেলার ভোটাল মুন্সী বাড়ির চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. দেলোয়ার হোসেন (৭২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ওই ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ভোটাল এলাকায় থেকে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়। ধর্ষক দেলোয়ার হোসেন সত্যতা শিকার করেন এবং বলেন আমি ভুল করেছি।
শিশুর পরিবারের অভিযোগ, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন প্রতিবেশী শিশুটিকে (নাতনি) বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নেন। পরে সেখানে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
প্রতিবেশী খোরশেদ আলম ও স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, ধর্ষক দেলোয়ার ইতোপূর্বে আরও কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তার হাত থেকে শুধু শিশু নয়, পশুও রক্ষা পায়নি।
শিশুর মা জানান, ধর্ষক দেলোয়ার মসজিদের বেতনের টাকা আনতে আমাদের ঘরে আসে আমি রান্নাঘরে ছিলাম। আমি বলেছি আমার কাছে টাকা নাই, আপনি চলে যান আমি টাকা আসলে পাঠিয়ে দেব। উনি যাওয়ার সময় পাশের ঘরে আমার মেয়ে ছিল, সেখান থেকে মেয়েকে নিয়ে গেছে। যখন দেখলাম আমার মেয়ে নাই তখন আমি মেয়েকে খুঁজতে বের হই, গিয়ে দেখতে পাই ধর্ষকের ঘর থেকে আমার মেয়ে বের হয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আসতেছে। আমি মেয়েকে জিজ্ঞেস করলাম কি হইছে, মেয়ে বলে দাদু আমাকে বিস্কুট দিবে বলে ঘরে নিয়ে গেছে, সেখানে আমাকে ব্যথা দিছে।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পেয়েছি এবং তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করছি। পুলিশ তাকে আটক করেছে। তার বিরুদ্ধে এই ধরনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, ধর্ষণের সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং ধর্ষক আটক করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন