× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

সাবেক কাউন্সিলর সুমন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

দুর্নীতি দমন কমিশন, চট্টগ্রাম। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দুর্নীতি দমন কমিশন, চট্টগ্রাম। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগ নেতা  জিয়াউল হক সুমন ও তার স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা দুটি দায়ের করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আপেল মাহমুদ বিপ্লব।  

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই মামলা করা হয়।’

দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। একইসঙ্গে তার নামে মোট ১৬ কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার ৩৫২ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

২০১৩-১৪ থেকে ২০২১-২২ করবর্ষ পর্যন্ত সময়ে জিয়াউল হক সুমনের গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে মাত্র ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৬ হাজার ১৪ টাকা। অথচ ওই সময়ে তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বেশি। ফলে তার আয়ের উৎসের সঙ্গে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় জিয়াউল হক সুমনের স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে ২ কোটি ২ লাখ ২৬ হাজার ২৬৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে মাত্র ৬৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

দুদকের অভিযোগ, স্বামী জিয়াউল হক সুমনের সহায়তায় শাহানাজ আকতার এই অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

Link copied!