× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেডিকেল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম

চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯, জাতীয় বার্নে এক নারীর মৃত্যু

মেডিকেল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হলে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

সেখানে নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) নামে এক নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

দগ্ধরা হলেন—শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩০), আরেক ভাই মো. সামির হোসেন সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৭), সুমনের বড় ছেলে মো. আনাস (৭), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো. আইমান (৯), সুমনের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সুমনের স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, চট্টগ্রাম থেকে নয়জন দগ্ধ রোগী ঢাকায় আনা হয়। তাদের মধ্যে নুরজাহান আক্তারের শরীর শতভাগ দগ্ধ ছিল। হাসপাতালে আনার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তিনি আরও জানান, শাখাওয়াতের শরীর ১০০ শতাংশ, পাখি আক্তারের ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীর ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে আগেই দগ্ধদের ঢাকায় রেফার করার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়, যাতে রোগীদের আনার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়। বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, দগ্ধের হার বেশি হওয়ায় অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ইতোমধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। বাকিদের পর্যবেক্ষণ শেষে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।

Link copied!