× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

গ্রাহকদের ২৪ লাখ টাকা নিয়ে বিকাশ কর্মী চম্পট

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাঙ্গুনিয়ায় একটি বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউজের প্রায় ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে মো. শাহজাহান (২৪) নামে এক বিক্রয় প্রতিনিধি (ডিএসও) পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৬ মার্চ মরিয়মনগর ইউনিয়নের মরিয়মনগর চৌমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার সূত্র ধরে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জেসমিন আক্তার (৪৪) নামে তার মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী মো. সালাউদ্দীন মাহমুদ (৪০) রাঙ্গুনিয়ার ‘আটলান্টিক ডিস্ট্রিবিউশন রাঙ্গুনিয়া’ নামক বিকাশ ডিলার অফিসের অ্যাকাউন্টস ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত।

অভিযুক্ত মো. শাহজাহান ওই প্রতিষ্ঠানের ডিস্ট্রিবিউটর সেলস অফিসার (ডিএসও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি আনোয়ারা উপজেলার ১ নং বৈরাগ ইউনিয়নের শাহ্ খাঁন বাড়ির মৃত মো. নূরের ছেলে।

ঘটনার দিন, অর্থাৎ ২৬ মার্চ সকালে শাহজাহান অফিস থেকে নগদ ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে বিভিন্ন এজেন্ট পয়েন্টে বিলি করতে বের হন।

পরবর্তীতে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তিনি বিভিন্ন এজেন্টের কাছ থেকে বিকাশ ওয়ালেটের মাধ্যমে আরও ২২ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। সব মিলিয়ে মোট ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা তার কাছে জমা হয়।

নিয়ম অনুযায়ী দিনের কাজ শেষে অফিসে টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও শাহজাহান আর ফিরে আসেননি। রাত ৯ টার পরও তিনি না আসায় তার দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, শাহজাহান বিভিন্ন নামী দোকান ও এজেন্ট থেকে টাকা সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে রয়েছে- রাহতিয়া লাইব্রেরি অ্যান্ড স্টেশনারি: ৪,৫০,০০০ টাকা; ইকবাল স্টোর: ২,৯০,০০০ টাকা; সালমান এন্টারপ্রাইজ: ২,৫০,০০০ টাকা; নলেজ হাউস লাইব্রেরি: ২,৩০,০০০ টাকা; আর এম ইলেকট্রনিক্স ও মফিজ স্টোর—প্রত্যেকে ২,০০,০০০ টাকা করে; এবং মমতাজ ট্রেডার্স: ১,০০,০০০ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহজাহান পরিকল্পিতভাবে বিপুল পরিমাণ এই অর্থ আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেছেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মো. আরমান হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!