রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০২:৪২ পিএম

সড়ক দখলে ‘স্বঘোষিত জমিদাররা’, দ্রুত উচ্ছেদের দাবি

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০২:৪২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত সিইউএফএল সড়কটি এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম পথ। প্রতিদিন শত শত যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে।

কেইপিজেড, সিইউএফএল, কাফকো, মেরিন একাডেমি ও আশপাশের শিল্পকারখানায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রধান যোগাযোগ মাধ্যমও এই সড়ক।

নিয়মিত যাত্রীদের পাশাপাশি মালবাহী ট্রাক, লরি ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকায় সড়কটির গুরুত্ব প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সড়কের দুই পাশের অধিগ্রহণকৃত জমিতে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা।

স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি সেখানে দোকানপাট, ভাড়াঘর ও অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে ‘স্বঘোষিত জমিদার’ হিসেবে দখল করছেন।

এই অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট দেখা দিচ্ছে। পথচারীর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। একই সঙ্গে প্রকৃত জমির মালিকরা তাদের জমিতে বৈধ নির্মাণ বা উন্নয়ন কাজও করতে পারছেন না। এতে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সম্প্রতি সিইউএফএল সড়কটি সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে সড়কটির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহল দ্রুত পুরো অধিগ্রহণকৃত এলাকা দখলমুক্ত করে সড়ককে নিরাপদ ও কার্যকর করার দাবি তুলেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে শত শত অবৈধ দোকান ও বাজার বসানো হয়েছে। প্রতিদিন মোটা অঙ্কের ভাড়া তুলছেন প্রভাবশালী দখলদাররা। এমনকি ব্যবসায়ী সমিতির নাম ব্যবহার করে তারা উচ্ছেদ অভিযান ঠেকানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সিইউএফএলের ভূমি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম লাভলু বলেন, “আমরা সড়কটি সওজ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছি। কিছু কাজ বাকি আছে, সেই বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।”

অন্যদিকে সওজ দক্ষিণ অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, “সড়কের পাশে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। খুব দ্রুতই অভিযান শুরু হবে।”

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত অভিযান চালিয়ে পুরো সড়ক একবারেই দখলমুক্ত করা হবে, যাতে এটি হয়ে ওঠে যানজটমুক্ত, নিরাপদ এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উপযোগী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!