বড়দিনের টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বসতে যাচ্ছে লাখো পর্যটকের মিলনমেলা। বৃহস্পতিবার বড়দিনের সরকারি ছুটির সঙ্গে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের অবকাশে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সময়ে প্রায় তিন লাখেরও বেশি পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে।
পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এরই মধ্যে বড়দিনের উৎসবমুখর সাজে সেজেছে পাঁচ তারকা মানের হোটেলসহ বিভিন্ন আবাসিক প্রতিষ্ঠান। পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
হোটেল দ্য কক্সটুডের অপারেশন ম্যানেজার আবু তালেব জানান, বড়দিন ও টানা ছুটিকে সামনে রেখে অতিথিদের সেবায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, প্রাসাদ প্যারাডাইজ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের মহাব্যবস্থাপক মো. ইয়াকুব আলী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আরামদায়ক অবস্থান নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
সমুদ্রস্নান, বালিয়াড়িতে ঘোরাঘুরি আর সূর্যাস্ত উপভোগ, সমুদ্র সৈকতের এই মোহই বারবার টেনে আনে ভ্রমণপিপাসু মানুষকে। বড়দিনের ছুটিতে পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা বলছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে ভ্রমণের আনন্দ বহুগুণে বেড়ে যায়।
এদিকে, সমুদ্রস্নানে যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সৈকতজুড়ে সতর্ক অবস্থানে কাজ করছে প্রশিক্ষিত লাইফগার্ডরা। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
লাইফগার্ড মোহাম্মদ ভুট্টো জানান, পর্যটকদের নিরাপদ রাখতে তারা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতকে ঘিরে গড়ে ওঠা সাড়ে চার শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে বড়দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে শতভাগ কক্ষ বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
বাড়তি পর্যটক সমাগমকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন