× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

জোয়ারের পানিতে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর, বাড়ছে দুর্ভোগ‎ 

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

‎কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় এখন আতঙ্কের অপর নাম সাগরের জোয়ারের পানি। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম এলেই দ্বীপের তীরবর্তী হাজারো পরিবার প্রহর গুনেন, কখন তাদের ভিটেমাটি সাগরগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অকার্যকর জিও ব্যাগ ও ভাঙাচোরা বেড়িবাঁধ এখন এ দ্বীপের রক্ষাকবচ নয়। বরং স্থানীয়দের জন্য তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে ভূমিহীন হওয়ার মিছিলে কুতুবদিয়া উপজেলার চিত্র এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

‎‎​সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে যে হারে বসতভিটা সাগরগর্ভে বিলীন হয়েছে, তার বাস্তব চিত্র সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়েও অনেক বেশি ভয়াবহ। এক সময়ের সচ্ছল অনেক পরিবার এখন অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

‎​‎কান্নায় ভেঙে পড়ে মোস্তফা বেগম (৬০) বলেন, সাগর আমার সব কেড়ে নিয়েছে। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্যের আশ্রয়ে আর কতদিন থাকব? নিজের কোনো ঘর নেই, নেই কোনো ঠিকানা। খোলা আকাশের নিচে দিন কাটানো ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই। ​অমানবিক এই সংকটময় মুহূর্তে নিরুপায় হয়ে দ্রুত সরকারি সহায়তা এবং মাথা গোঁজার জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন অসহায় এই নারী।

‎‎বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহিদ উদ্দিন ছোটন বলেন, ইতিমধ্যে সাগরের গ্রাসে ১৫-২০টি বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার কথা থাকলেও তার কোনো কার্যকর প্রয়োগ নেই। তাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত জিও ব্যাগ প্রদান এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানাচ্ছি।

সাগরগর্ভে বিলীন হওয়া বসতভিটা ও দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব উল আলম। 

এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পাউবোকে জানানো হয়েছে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!