× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী, সাত দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৪৬৮

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬৮ জন রোগী। এর মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০১ জন, যাদের মধ্যে শিশুরাই বেশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৪৬৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

প্রতিদিন গড়ে ৬০-৮০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। হাসপাতালের ৫০ শয্যার বিপরীতে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় অনেককে মেঝে ও বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল ৭২ জন রোগীর মধ্যে ১৯ জন, ২ এপ্রিল ৬৭ জনের মধ্যে ১৪ জন, ৩ এপ্রিল ৭৫ জনের মধ্যে ১৫ জন, ৪ এপ্রিল ৫৩ জনের মধ্যে ১৫ জন, ৫ এপ্রিল ৭৮ জনের মধ্যে ১৩ জন, ৬ এপ্রিল ৭২ জনের মধ্যে ১৫ জন এবং ৭ এপ্রিল ৫৫ জনের মধ্যে ১০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে অনেকেই শিশু। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পর্যন্ত ১১ জন শিশু ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিচ্ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক রোগী হাসপাতালে না এসে স্থানীয় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। ফলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপজেলার মহদিপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোকছেদ আলী বলেন, প্রায় ঘরে ঘরেই এখন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী রয়েছে, শিশুদের সংখ্যা বেশি।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বেডের অভাবে অনেক রোগী মেঝে ও বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নূর ই আলম খুশরোজ আহমেদ আনন্দ বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও গরমের কারণে শিশুরা বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অধিকাংশ রোগীকে দ্রুত চিকিৎসা দিয়ে ১-২ দিনের মধ্যে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, তাপমাত্রা বাড়ায় পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শয্যা সংকট থাকায় অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!