× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

গভীর রাতে এএসআইকে ‘রহস্যঘেরা’ গণপিটুনি

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

গণপিটুনির শিকার এএসআই মো. ইমরান হাসান

গণপিটুনির শিকার এএসআই মো. ইমরান হাসান

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় গভীর রাতে মাদক মামলার এক আসামির বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয়ে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. ইমরান হাসান (৪০)। তিনি রামকান্তপুর ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বলিভদ্রদিয়া এলাকার মো. মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই মামলার সূত্র ধরে এএসআই ইমরান প্রায়ই মেহেদীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এ নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার রাতে এএসআই ইমরান সাদা পোশাকে মেহেদীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে মারধর করে। পরে খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়—সাধারণ পোশাকে থাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ ও মারধর করা হচ্ছে। ভিডিওতে তার কাছ থেকে কিছু আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধারের দাবিও করতে শোনা যায় উপস্থিত এক ব্যক্তিকে। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের পরিবারের দাবি, এটি পরকীয়াজনিত ঘটনা। তাদের অভিযোগ, এএসআই ইমরান দীর্ঘদিন ধরে মেহেদীর স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন এবং ঘটনার রাতে গোপনে ঘরে প্রবেশ করলে এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করে।

অন্যদিকে, এএসআই ইমরান হাসান দাবি করেন, তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে গভীর রাতে একা এবং সাদা পোশাকে অভিযানে যাওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান জানান, মাদক মামলার আসামিকে ধরতে গেলে স্থানীয়রা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করে মারধর করে। কেন তিনি একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া সেখানে গিয়েছিলেন—বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!