× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৫২ এএম

সালথায় পেঁয়াজ চারা রোপণের ধুম

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৫২ এএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ফরিদপুরের সালথায় ফসলি জমিতে হালি পেঁয়াজের চারা রোপণের ধুম পড়েছে। এখানকার কৃষকদের প্রধান অর্থকরী মসলা জাতীয় ফসল পেঁয়াজ। এর চাষ করে বছরের অর্থনৈতিক চাহিদা মেটান তারা।

তাই তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে প্রতিদিন খুব সকালে মাঠে নামেন কৃষকরা। সবগুলো জমিতেই দল বেঁধে পেঁয়াজ উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের।

সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় ১২,৩০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হালি পেঁয়াজ চাষ হয় সালথা উপজেলায়।

তবে গতবার উৎপাদিত পেঁয়াজের আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক এবার অন্য ফসল আবাদ করছেন।

মাঠ পরিদর্শনে দেখা যায়, ঠান্ডা ও কুয়াশা উপেক্ষা করে প্রতিটি জমিতে দুজন করে শ্রমিক ছোট হাত নাঙ্গল দিয়ে জমির গুড়া মাটির ফাঁক করে দিচ্ছেন। ২৫-৩০ জনের একদল শ্রমিক সারিবদ্ধভাবে বসে সেখানে পেঁয়াজের চারা রোপণ করছেন।

অন্যদিকে, আরও একদল শ্রমিক পেঁয়াজের চারা (হালি) উত্তোলন করে জমিতে রোপণকারী শ্রমিকদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন। চারা রোপণের সঙ্গে সঙ্গে শ্যালোমেশিন দিয়ে জমিতে সেচ ও সার-ওষুধ ছিটিয়ে দেয়া হচ্ছে। এভাবেই চলছে পুরো এলাকায় পেঁয়াজ আবাদের কাজ।

সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা গ্রামের কৃষক সিরাজ মোল্যা বলেন, আমি এবার ১৫ কেজি পেঁয়াজের বীজ বপণ করেছি। সেখান থেকে উৎপাদিত চারা দিয়ে ১৫ বিঘা জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপন করছি। প্রতিবিঘা জমিতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।

বাজারে পেঁয়াজের দাম চলমান থাকলে লাভ হবে, অন্যথায় লোকসান। আশা করি এবার ফলন ও দাম ভালো পাবো।

আরেক কৃষক আবু মোল্লা বলেন, আমাদের এলাকার বেশিরভাগ মানুষ পাট ও পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। এই দুটি ফসল ভালো হলে আমরা পুরো বছর ভালো থাকি, আর খারাপ হলে আমরাও খারাপ থাকি।

গতবার পেঁয়াজ আবাদে লোকসান হয়েছে। তারপরও এবার ঝুঁকি নিয়ে হালি পেঁয়াজ চাষ করছি।

সালথা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুদর্শন সিকদার বলেন, সালথা উপজেলা পেঁয়াজের জন্য বিখ্যাত। এ বছর পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২,৩০০ হেক্টর।

ধারণা করা হচ্ছে, লক্ষ্য অতিক্রম করবে। বর্তমানে হালি পেঁয়াজ রোপণের কাজ চলছে। আমরা প্রতিনিয়ত চাষিদের সব ধরণের পরামর্শ দিয়ে আসছি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!