ফেনীর সোনাগাজীতে বাজার ইজারাকে কেন্দ্র করে দুই সাবেক যুবদল নেতা মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ নিয়ে উপজেলার বক্তারমুন্সি বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জানা যায়, এ বিষয়ে ফেনী জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনারের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ করেন বাজারের ইজারাদার ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, হত্যার হুমকি ও জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও মারামারির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী বক্তারমুন্সি বাজার ইজারার জন্য স্থানীয় বিএনপির একটি অংশকে নিয়ে উন্মুক্ত দরপত্রে অংশ নেন দাউদুল ইসলাম মিনার এবং আরেকটি অংশকে সঙ্গে নিয়ে দরপত্রে অংশ নেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম। যাচাই-বাছাই কালে সর্বোচ্চ দর দিয়ে মিনারকে হারিয়ে কামরুল বৈধ ইজারাদার হিসেবে মনোনীত হন। এ ঘটনায় দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। কোনো সংঘাত সৃষ্টি হোক, তা চান না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ জন্য তারা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ইজারাদার কামরুল ইসলাম বলেন, ‘উন্মুক্ত দরপত্রে বাজারের ইজারা আমি পেয়েছি। এরপর থেকে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি আমার বাড়িতে হামলার চেষ্টাও করা হয়েছে। বিষয়টি দলীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনকে অবগত করেছি।’
অভিযোগ অস্বীকার করে দাউদুল ইসলাম মিনার বলেন, ‘বিষয়টি সত্য নয়। আমার জনপ্রিয়তা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।’
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন