× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম

আলুর ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা বকশীগঞ্জের কৃষক

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। তারা জানান, আলুর বর্তমান দামের তুলনায় চাষাবাদে বেশি খরচ হয়েছে। বাম্পার ফলনের আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার আলু চাষিদের জন্য। চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পরিচর্যায় আলুর ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও পাইকারি বাজারে আলুর দাম কম থাকায় অনেকেই মূলধন তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৮৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হলেও স্থানীয় হাট-বাজারে প্রতি মণ আলু ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে প্রতি মণ উৎপাদন খরচই এর কাছাকাছি বা তার চেয়েও বেশি বলে দাবি চাষিদের।

বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কৃষক আজাদ মিয়া বলেন, ধারদেনা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছি। ফলন ভালো হলেও বাজারে দাম কম। খরচই উঠছে না, লাভ তো দূরের কথা।

সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আরেক কৃষক আফজাল শরফি জানান, হিমাগারে রাখার কোনো সুব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত হিমাগার না থাকায় তারা দীর্ঘদিন আলু সংরক্ষণ করতে পারছেন না। ফলে মৌসুমের শুরুতেই অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে বাজারে দাম পড়ে যাচ্ছে। অনেক কৃষক মাঠ থেকেই কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, এ বছর আলুর আবাদ ও ফলন দুটোই ভালো হয়েছে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ সুবিধা বাড়ানো গেলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেতেন।

তাছাড়া এ এলাকায় হিমাগার সুবিধা না থাকায় কৃষকরা আলু সংরক্ষণ করতে পারছেন না। হিমাগার সুবিধা থাকলে কৃষকরা আলু সংরক্ষণ করে লাভবান হতে পারতেন।

বকশীগঞ্জের কৃষকদের বহু দিনের দাবি, এখানে একটি হিমাগার স্থাপন করা হোক। তাদের বিশ্বাস, বকশীগঞ্জে হিমাগার সুবিধা থাকলে আলু সংরক্ষণ করে তারা লাভবান হতে পারবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!