ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বেনাপোলে কেমিক্যাল শেডের নিরাপত্তা ঝুঁকি: ৭ নির্দেশনা জারি

বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৫:০৬ পিএম
বেনাপোল স্থলবন্দর। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরের কেমিক্যাল শেডে সংরক্ষিত পণ্য দ্রুত অপসারণ এবং রাসায়নিক দ্রব্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কঠোর ৭ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) ও উপসচিব মো. শামীম হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, বেনাপোল স্থলবন্দরের কেমিক্যাল শেডগুলোতে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে নিম্নোক্ত ব্যবস্থাসমূহ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। নির্দেশনাসমূহ হলো:

১. কেমিক্যাল শেডে সংরক্ষিত নিলামযোগ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ ও পরিত্যক্ত কেমিক্যাল পণ্য দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
২. কেমিক্যাল শেডে পণ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্টোরেজ নীতিমালা ও সেফটি ডাটা শিট (SDS) গাইডলাইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
৩. ভারতীয় ট্রাকচালকদের যত্রতত্র রান্না করতে না দিয়ে রান্নার জন্য নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করতে হবে।
৪. কেমিক্যাল শেডসহ বন্দরের সব শেড ও ইয়ার্ড এলাকায় প্রবেশের সময় নিরাপত্তা গেটে চেকিংয়ের মাধ্যমে লাইটার, ম্যাচবক্স, দেয়াশলাইসহ অগ্নিপ্রজ্বালনে সহায়ক কোনো বস্তু নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ধূমপান বা রান্না করলে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৫. কেমিক্যাল শেড (শেড নম্বর ৩২-৩৫) এবং টিটিআই ইয়ার্ড এলাকায় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট নয়—এমন কারও বন্দর এলাকায় প্রবেশ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬. কেমিক্যাল শেড (শেড ৩২-৩৫) এলাকায় ৭ সদস্যের যৌথ টহল দল (আনসার ৪ জন ও নিরাপত্তাকর্মী ৩ জন) এবং টিটিআই ইয়ার্ডে ৫ সদস্যের (আনসার ৩ জন ও নিরাপত্তাকর্মী ২ জন) যৌথ টহল টিম গঠন করে সার্বক্ষণিক টহল নিশ্চিত করতে হবে।
৭. ফায়ার শাখা কর্তৃক বন্দরের সব এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং যৌথ টহল দলকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হবে।

বন্দর সূত্র ও সংশ্লিষ্ট পত্র থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারকের আলোকে বেনাপোল স্থলবন্দরের কেমিক্যাল শেডের সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) ও উপসচিব মো. শামীম হোসেন আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।